কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫ এ ০৪:২০ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বিচারযোগ্য ফৌজদারী মামলাগুলি মূলত অপরাধের ধরন এবং গুরুত্বের উপর নির্ভর করে। এগুলোকে প্রধানত আমলযোগ্য মামলা এবং আমল-অযোগ্য মামলা এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। আমলযোগ্য মামলায় পুলিশ কোনো পরোয়ানাই ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। অন্যদিকে, গ্রাম আদালতে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের হালকা ফৌজদারী মামলা বিচার করা যেতে পারে, যেমন চুরির ছোটখাটো ঘটনা, মারামারি, বা জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ।
ফৌজদারী মামলার প্রকারভেদ
গুরুত্বের ভিত্তিতে:
আমলযোগ্য মামলা: পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে। যেমন, গুরুতর চুরি, ডাকাতি, এবং খুনের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে এই ধরনের মামলা হয়ে থাকে।
আমল-অযোগ্য মামলা: পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে না। এসব ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।
গ্রাম আদালতে বিচারযোগ্য মামলা: গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর তফসিল-১-এ বর্ণিত কিছু নির্দিষ্ট ফৌজদারী মামলা গ্রাম আদালতে বিচার করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে:
চুরি, মারামারি, এবং অন্যান্য হালকা অপরাধ।
অন্যান্য অপরাধ, যা সমাজের জন্য ক্ষতিকর নয়।
অন্যান্য ধরনের মামলা
প্রতিরোধমূলক মামলা (১০৭ ধারা): ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে, অপরাধ প্রতিরোধে এই মামলা করা হয়। যেমন, পারিবারিক বিবাদ, হুমকি বা সামাজিক উত্তেজনা ইত্যাদি।
অসম্মানজনক হুমকি (৫০৬ ধারা): যদি কেউ হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে, তবে এই ধরনের মামলা দায়ের করা হতে পারে।
মামলার সিদ্ধান্ত এবং রিপোর্ট
ফাইনাল রিপোর্ট ও চার্জ শিট: পুলিশ তদন্ত শেষে এই দুই ধরনের রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে।
গ্রাম আদালতের সিদ্ধান্ত: গ্রাম আদালত আইন অনুযায়ী, এই আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ফৌজদারী মামলাগুলি সাধারণত ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করার কারণে দায়ের করা হয়।
কিছু কিছু মামলা গ্রাম আদালতে বিচার করা হয়, আবার কিছু বড় ধরনের মামলা বিচার করা হয় ফৌজদারী আদালতে।
ফৌজদারী কার্যবিধি ও অন্যান্য আইনের বিধান অনুযায়ী সকল ফৌজদারী মামলা পরিচালনা করা হয়।